চুলে শ্যাম্পু করার লাভ এবং ক্ষতি


চুলে শ্যাম্পু করার লাভ এবং ক্ষতি
 চুল ঝরঝরে ও স্বাস্থ্যকর রাখতে আমদের মধ্যে অনেকেই আচেন যারা  প্রতি দিন চুলে শ্যাম্পু মাখেন। আবার অনেক আছেন সাপ্তায় দু’তিন দিন শ্যাম্পু করেন, অনেকে আছেন,  আবার সপ্তাহে মাত্র একবারই শেম্পু ব্যাবহার করেন। ঘনঘন কিংবা অনেক বিরতি দিয়ে শ্যাম্পু ব্যাবহার করার লাভ এবং ক্ষতি কী? যারা শ্যাম্পু ব্যাবহার  করছেন-তারাও কি এই ব্যাপারে পুরোপুরি জানেন?

যুক্ত রাষ্ট্র ভিত্তিক Online সংবাদ মাধ্যম about.com এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে চুলে শ্যাম্পু করার লাভ এবং ক্ষতির হিসাব তুলে ধরছি।

প্রথমেই দেখে আসা  যাক লাভের খাতা...

চুল হয় স্বাস্থ্যকর, আকর্ষণীয়,এবং আবেদনময়ী রাখতে নিঃসন্দেহে শ্যাম্পুর চেয়ে আর কিছু ভালো নাই। এ কারণে অনেকেই আছেন যারা দিনের বেশিরভাগ সময় স্যালুন বা পার্লারে বসে কাটান। কেউ আবার আছেন বাসাকেও পার্লার বানিয়ে ফেলেন-শ্যাম্পু ব্যবহার করে।

নিয়মিত শ্যাম্পু করলে কেবল চুলই  পরিষ্কার হবে না, মাথার খুলিকেও স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্ন রাখ।

 শ্যাম্পু কীভাবে চুল ও মাথার খুলি পরিষ্কার রাখে?

কেউ যখন চুলে শ্যাম্পু করে তখন তার মাথার খুলি থেকে তেল নিগ্রিত হয়ে যায়, যার ফলে চুল ও খুলি স্বাস্থ্যকর এবং খুশকি মুক্ত হয়। আবার যখন মাথার চুল থেকে তেল শোধিত হয়ে যায় তখন শ্যাম্পুকারীর মাথার খুলি খসখসে হয়ে তেল আরও বাড়াতে থাকে। তখন ব্যবহারকারীর মনে হতে পারে মাথার খুলিতে চর্বি হয়ে গেছে, যে কারণে বারবার এবং প্রতিদিন একাধিকবার শ্যাম্পু করেন তিনি, অর্থাৎ শ্যাম্পু ব্যাবহার করার কারণেই আবার শ্যাম্পু ব্যাবহার করতে বাধ্য হন।

মাথা তৈলাক্ত হয়ে থাকে বলে এ ব্যাপারে আকাট ব্যক্তিরা অস্থির ও বিরক্ত থাকেন।

চুল স্বাস্থ্যকর রাখার জন্য বারবার শ্যাম্পু ব্যাবহার করলেও তাতে বিপরীত দেখা যায় প্রায়  সময়ই,  

অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করলে কী ক্ষতি হতে পারে, এবার সে খাতায় চোখ বুলানো যাক!
  •  নিয়মিত শ্যাম্প‍ু ব্যাবহার করার কারণে মাথা শুষ্ক হয়ে চুলকানি এমনকি চামড়া ফাটার উপক্রমের শিকার হতে পারেন। 
  • চুলের রং বিবর্ণ হয়ে যেতে পারে, যে কারণে শ্যাম্পু ব্যাবহার কারীকে নিজের চুলে কৃত্রিম রং ব্যবহার করতে হতে পারে।
  •  শ্যাম্পু ও মাথার চুল নিয়ে অনেক বেশি দুঃশ্চিন্তার সময় কাটাতে হবে কেবল ওয়াশরুমেই, বাকি সময় সময়ত আছেই।
  • অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহারের কারণে খরচ করতে হবে বাড়তি অর্থ।
  • শ্যাম্পুর বেবহারের কারণে পানি অতিরিক্ত খরচ করতে হবে।
  •  অস্বাস্থ্যকর মাথার খুলি আপনার চুলকে বর হতে দেবে না
  • এবং  স্বাস্থ্যের ওপরই প্রভাব ফেলতে পারে অতিরিক্ত শ্যাম্পুর ব্যবহার।


তাহলে উপায় কি ?


প্রাথমিক পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে যে, প্রথমত একদিন পর পর শ্যাম্পু ব্যবহার করা যেতে পারে এবং শ্যাম্পু ব্যবহারের বিরতির সময়টা বাড়াতে থাকুন, এভাবে বাড়াতে বাড়াতে একসময় চার-ছয় দিন বিরতি দিয়ে শ্যাম্পু ব্যাবহার করুন। এছাড়া, শ্যাম্পু ব্যাবহার করার ক্ষেত্রে যেদিন বাইরে বের হওয়া লাগবে না এমন একটি দিন বাছাই করুন।


ঘুরে আসুন শেরপুরের গজনী অবকাশ থেকে......

গজনী অবকাশ কেন্দ্র শেরপুর 




পাহাড়ের ঢালে, পাহাড় চূড়ায় সারি সারি শাল, গজারী,সেগুন, মহুয়া,  ইউকেলিপটাস, আকাশমনি, মিলজিয়ামসহ আরো নাম না জানা কত শত পাহাড়ি গাছ, বনফুল ও ছায়াঢাকা বিন্যাস যেন বিশাল ক্যানভাসে সুনিপুন শিল্পীর রঙ-তুলি দিয়ে আঁকা। গজনী অবকাশ অতি সহজেই প্রকৃতিপ্রেমীদের হৃদয়ে দোলা দিয়ে যেতে পারে বলেই সারা  বছর বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার প্রকৃতিপ্রেমী নারী-পুরুষ, শিশু, বয়োবৃদ্ধসহ সবাই ছুটে আসেন গজনী অবকাশের মন ছুঁয়ে যাওয়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকন করতে।


লাল মাটির উঁচু পাহাড়,  গহীন জঙ্গল, টিলা, মাঝে সমতল  দু’পাহাড়ের মাঝখান দিয়ে ছন্দ তুলে পাহাড়ী ঝর্ণার এগিয়ে চলা। পাহাড়, বনানী, ঝরণা, হ্রদ এতসব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মধ্যেও অনেক কৃত্রিম সৌন্দর্যের অনেক সংযোজনই রয়েছে গজনী অবকাশে ।

গজনী অবকাশে কি কি আছে তা  নিম্নে  বিভিন্ন অংশের বর্ণনা দেওয়া হলঃ

 ডাইনোসরঃ
উচ্চতা 33 ফুট। নির্মাণ কাল 2007 পরিকল্পনা ও পৃষ্ঠপোষকতায় মোঃ আবু বকর সিদ্দিক, জেলা প্রশাসক, শেরপুর। নির্মাতা ভাস্কর হারুন অর রশীদ খান। এটি একটি বৃহৎ ভাস্কর্য যা দেখে আমরা পৃথিবীর বিবর্তনের  ইতিহাস জানতে পারি।

 ড্রাগনঃ
এটি একটি স্থাপত্যধর্মী ভাস্কর্য। পৃষ্ঠপোষকতায় জনাব নওফেল মিয়া, জেলা প্রশাসক, শেরপুর। ড্রাগনের মাথা দিয়ে প্রবেশ করে ভিতর দিয়ে বের হয়ে যাওয়া একটা অন্যরকম অনুভূতি ।

 জলপরীঃ
ঝিলের পাড়ে নির্মিত  জলপরি। দেখে মনে হয় জল থেকে সদ্য উঠে এসে  শ্রান্ত ক্লান্ত অবস্থায় বসে আছে। সাদা সিমেন্টে নির্মিত ভাস্কর্যটি পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন নওফেল মিয়া, জেলা প্রশাসক, শেরপুর। নির্মাতা  ভাস্কর রায়হান ও শীষ ।



 দন্ডায়মান জিরাফঃ
উচ্চতা ২৫ ফুট। নির্মাণকাল ২০০৮। এটি  গজনীর অন্যতম বৃহৎ ভাস্কর্য। জেলা প্রশাসক সামছুন্নাহার বেগমের পৃষ্ঠপোষকতায় এটি নির্মিত হয়।


ওয়াচ টাওয়ারঃ
সুউচ্চ শীর্ষ পাহাড় চূড়ায় নির্মিত হয়েছে আধুনিক স্থাপত্য রীতিতে ৬৪ ফুট উচ্চতা সম্পন্ন নয়নকাড়া ‘সাইট ভিউ টাওয়ার’। এ টাওয়ারের চূড়ায় উঠে এলে চারদিকে শুধু দেখা যায় ধূসর, আকাশী ও সবুজের মিতালি।

পদ্ম সিড়িঃ
এটিও জনাব নওফেল মিয়ার চিমত্মা চেতনা থেকে তৈরী হয়েছিল। সিড়ি বেয়ে আকাশ পানে ওঠা এক অন্যবদ্য সৃষ্টি। রেস্ট হাউস থেকে পাহাড়ের পাদদেশে নামার জন্য আঁকাবাঁকা প্রায় দু’শতাধিক সিঁড়িসহ অত্যন্ত আকর্ষণীয় ‘পদ্ম সিড়ি’ রয়েছে। ‘পদ্ম সিড়ির পাশেই গজারী বনে কাব্য প্রেমীদের জন্য কবিতাঙ্গনের গাছে গাছে ঝোলানো আছে প্রকৃতিনির্ভর রচিত কবিতা। পাহাড়ের পাদদেশে বর্ষীয়ান বটবৃক্ষের ছায়াতলে শান বাঁধানো বেদীসহ বিশাল চত্ত্বর।     


আপনাদের  প্রশ্নঃ কিভাবে গজনী অবকাশ যাব ? 


গজনী অবকাশে আসার জন্য সড়ক পথে যাতায়ত অনেক সহজ। গজনী অবকাশ পর্যন্ত রয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগের মসৃণ পিচঢালা পথ। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ হয়ে যাতায়াতই সব থেকে ভালো । উত্তরবঙ্গ থেকে টাঙ্গাইল-জামালপুর হয়েও আসতে পারেন সড়ক পথে। শেরপুর শহর থেকে গজনী অবকাশের দুরত্ব মাত্র ৩০ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে সরাসরি মাইক্রো বাস অথবা প্রাইভেটকারে গজনী অবকাশ যেতে পারেন। ঢাকা থেকে নিজস্ব বাহনে মাত্র সাড়ে তিন থেকে চার ঘন্টায় ঝিনাইগাতীর গজনী অবকাশে আসা যায়। 

এ ছাড়া ঢাকার মহাখালি থেকে ড্রিমল্যান্ড বাসে শেরপুর আসা যায়। মহাখালী থেকে দুপুর ২টায় ছাড়ে বাস । এছাড়া ঢাকা বঙ্গবন্ধু জাতীয় ষ্টেডিয়াম ৪ নং গেইট থেকে সরাসরী বিকাল ৩-৪টায় শিল্প ও বণিক সমিতির গাড়ী ঝিনাইগাতীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। যারা ড্রিমল্যান্ডে আসবেন। শেরপুর নেমে নিউমার্কেট থেকে ভাড়ায় মাইক্রোবাস ৫০০ টাকায় সোজা গজনী যাতায়াত করা যায়। শেরপুর থেকে লোকাল বাস,টেম্পু, সিএনজি অথবা রিক্সায় গজনী অবকাশ কেন্দ্রে যাওয়া যায়। 

 গজনী অবকাশের আবসন ব্যবস্থা 

শেরপুর জেলা সদরে রাতযাপনের জন্য ৫০ থেকে ৫শত টাকায় গেষ্ট হাউজ রোম ভাড়া পাওয়া যায়।শেরপুর শহরের রঘুনাথ বাজারে হোটেল সম্পদ, শহীদ বুলবুল সড়কে কাকলী ও বর্ণালী গেষ্ট হাউজ, নয়ানী বাজারে ভবানী প্লাজা, বটতলায় আধুনিক মানের থাকার হোটেল রয়েছে। তা ছাড়া অনুমতি সাপেক্ষে থাকতে পারেন সার্কিট হাউজ, সড়ক ও জনপথ, এলজিইডি, পল্লী বিদ্যুৎ কিংবা এটিআই বেষ্ট হাউজে। ঝিনাইগাতী জেলা প্রশাসন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ ও বন-বিভাগের ডাকবাংলোতে থাকতে পারবেন।

গজনী অবকাশের প্রবেশ ফি

গজনী অবকাশ কেন্দ্রে গাড়ী প্রবেশের জন্য উপজেলা পরিষদ চেকপোষ্ট থেকে বাস-কোচ, ট্রাক-৩ শত টাকা, মাইক্রোবাস, পিকআপ, মেক্সি-১শত ৫০টাকা, জিপ,কার,টেম্পু-১শত টাকা, সিএনজি-৫০টাকা দিয়ে গেটপাস নিতে হবে। অন্যথায় গজনী অবকাশ কেন্দ্রে গাড়ী ঢুকাতে পারবেন না। তা ছাড়া সীমান্ত পথে বিজিবি নকশী ক্যাম্পে সে পাস দেখাতে হবে। আর অবকাশ কেন্দ্রে টাওয়ারের জন্য জন প্রতি ৫ টাকা, শিশু পার্কের জন্য-১০টাক, প্যাডেল বোড ৩০মিনিটে ৪জনে -৬০টাকা, পানসিতরী নৌকায় জন প্রতি-১০টাকা এবং পাতালপুরি ড্রাগন ট্যানেলে জন প্রতি-৫টাকা প্রদর্শনী ফি রয়েছে। 

 গজনী অবকাশের  কোথায় যোগাযোগ করবেন

 একটি কথা ভূলবেন না, গজনী অবকাশ ভারতীয় সীমান্ত সংলগ্ন। সীমান্তের দিকে না যাওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। অন্যথায় বিপদ ঘাড়ে চেপে বসতে পারে। শেরপুর জেলা প্রশাসকের নেজারত শাখা “(ফোন) ০৯৩১-৬১২৮৩/০৯৩১-৬১৯৫৪/০৯৩১-৬১৯০০, সার্কিট হাউজ ০৯৩১-৬১২৪৫ (হোটেল সম্পদ) ,০১৭১২৪২২১৪৫( হোটেল সাইদ) ০৯৩১-৬১৭৭৬ (কাকলী গেষ্ট হাউজ), ০১৯১৪৮৫৪৪৫০( টিকেট কাউ্ন্টার চেকপোষ্ট), ০৯৩১-৬১২০৬/০৯৩২-২৭৪৪০০১(ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার) ঝিনাইগাতী প্রেসকাবঃ- ০১৭৩৬৯৯১৪০৫
সংগ্রহঃ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন
C.E.O  bdwrite.com

সতেজ থাকতে সবুজ শাক-সবজি খান



কে চায় না? সুস্থ, সুন্দর, স্লিম আকর্ষণীয় ফিগার ।  এই সুস্থ দেহের মূলমন্ত্র হল সঠিক খাবার। তাই সবুজ শাক-পাতা খেয়ে খুব সহজেই আপনি ধরে রাখতে পারেন আপনার তারুণ্য। সবুজ শাক-পাতাই রয়েছে প্রছুর পরিমানে ভিটামিন সি, ই, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, বিটা-ক্যারোটিন, অ্যান্টি -অক্সিডেন্ট সহ অনেক উপাদান৷ bdwrite.com পক্ষ থেকে আজ থাকছে নানা রকম সবজির গুণাগুণের কথা। চলুন শরু করি...
পালং শাক
পালং শাক

পালং শাকের উপকারিতার কথা বলার আর অপেক্ষা রাখে না৷ ২০১৪ সালে সুইডিশ গবেষকদের করা এক তথ্য থেকে জানিয়েছে  যে, পালং শাক ওজন কমাতে সহায়তা  করে৷ এর আঁশ, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম – যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও, উচ্চ রক্তচাপ কমিয়ে পেশিকে শক্ত করে রক্তের ঘনত্ব কমাতেও সহায়তা করে৷ পালং শাক সেদ্ধ, স্যুপ বা স্মুদি বানিয়ে খাওয়া যায়৷ সঙ্গে রসুন, লেবু বা আদা দিলে স্বাদ ও বাড়ে, উপকারও অনেক গুনে বেরে যায় ৷ 

শসা

গরমের দিন আসলে শরীরকে ঠান্ডা করতে শসার জুড়ি নেই, কারণ শসায় রয়েছে শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ পানি৷ তাই পুষ্টিবিদরা গরম কালে বেশি বেশি করে শসা খেতে বলেন৷ শসায় খুবই অল্প পরিমানে ক্যালোরি থাকে,শসা শুধু শরীরকেই হালকা-পাতলা রাখে না, শসার মাস্ক বা স্লাইস করা শসা ত্বককে করে স্নিগ্ধ আর সুন্দর৷ শসা অনেক ভাবে খওয়া যায়৷ প্রচণ্ড গরমে শসার কুচি ঠান্ডা পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে তা পান করলে শরীর জুড়িয়ে যায়। 
সবুজ ফুলকপি

সবুজ বা সবুজ রং-এর ফুলের মতো দেখতে এই সবজি ভাজি খেতে খুবই মজা ।  জার্মানির হাইডেলব্যার্গ বিশ্ববিদ্যালয় ক্লিনিকের গবেষক ইনগ্রিড হ্যার  তথ্য দিয়েছে ফুলকপির  মধ্যে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা ক্যনসারের টিউমার দমন করে৷  শুধু তাই নয়, ব্রকোলি হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমায়৷ এছাড়া ডায়বেটিস রোগীদের জন্যও দারুণ উপকারি হল ফুলকপি ৷
পুদিনা পাতা
পুদিনা পাতা

 কাউকে আর আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই, ভেষজ উদ্ভিদ পুদিনা পাতার গুণের কথা ৷ হাজারো বছর ধরে এই পাতা ব্যবহার হয়ে আসছে গ্যাসট্রিক, পেটের সমস্যা বা ত্বকের অনেক সমস্যায় ৷ নারীদের সৌন্দর্যচর্চায় পুদিনার পাতা খুবই পরিচিত৷ পুদিনা পাতার রস, চা, চাটনি ইউরোপেও আজকাল বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ৷ সবুজ ঔষধি পুদিনা পাতা খেয়ে শরীর ও ত্বককে সতেজ রাখুন৷ বিশেস  যত্ন ছাড়াই পুদিনা গাছ বাগান, টব বা পানিতে হয়৷
বরবটি

 বরবটিতে রয়েছে প্রচুর আঁশ, আয়রন, প্রোটিন,  ক্যালশিয়াম ও শর্করা – মানে প্রচুর পরিমানে পুষ্টি গুণ৷ এই কারণে ডায়বেটিস রোগীদের জন্যও বরবটি অনেক উপকারি৷ বরবটি  অনেক  ভাবে খাওয়া যায়৷ জলপাইয়ের তেলে সামান্য ভেজে খেতে দারুণ স্বাদ লাগে এই সবজি৷ তাছাড়া পুষ্টিগুণ সম্পন্ন সবুজ সবজির মধ্যে বরবটি একটি, যা অল্প খেলেই পেট ভরে যায় ৷ অর্থাৎ বাড়তি মেদ হবার কোনো সুযোগ নেই বলে ফিট ও সুন্দর থাকা যায় সহজেই!
সালাদ পাতা

বিভিন্ন সবুজ সালাদ বা লেটুস পাতায় রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা তারুণ্য ধরে রাখতে সহায়তা করে ৷ সবজিতে থাকা ভিটামিন সি এবং ই সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে আপনাকে রক্ষা করতে সাহায্য  করে থাকে৷ তাছাড়া শাক বা সালাদ পাতা খাবার সাজানোর জন্যও ব্যবহার করা যায়, যা দেখতে সুন্দর তো লাগেই, খাবারে রুচিবারাতে সাহায্য করে ৷তবে শাক-সবজির ক্ষেত্রে সবচেয়ে যেটা জরুরি হলো, একে হতে হবে একদম টাটকা৷ তা না হলে স্বাদে এবং গুণে হেরফের হবেই৷

ফরমালিন মুক্ত শাক সবজি খান।
আল্লাহ হাফেজ 

রাতে কেন হালকা খাবার খাবেন?

হালকা খাবার

‘সকালে খাবেন রাজার মতো। দুপুরে খাবেন প্রজার মতো। আর রাতে খাবেন ভিক্ষুকের মতো’—এমন প্রবাদ নিশ্চয়ই শুনেছেন? বিশেষজ্ঞরা বলেন, শরীর ভালো রাখতে রাতে হালকা খাবার খাওয়া অনেক উপকারী। এ অভ্যাস শরীরের অনেক সমস্যা প্রতিরোধে করতে সাহায্য করে।
২০১৩ সালে জার্নাল ওবেসিটির প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, শরিরের বাড়তি ওজন নিয়ন্ত্রণে খাবারের জন্য সঠিক সময় নির্বাচন বেশ বড় ভূমিকা পালন করে থাকে । যাঁরা ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চান,  এ বিষয় তাঁদের খেয়াল রাখা উচিত। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে,  লাইফস্টাইল-বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে রাতে হালকা খাবার খেলে কী উপকার হয়, সে কথা। আজ আমরা জানবঃ 
হজম ভালো করে
রাতে ভারী খাবার খেলে হজমে গণ্ডগোল করতে পারে। হালকা খাবার হজম সহজে হয়ে যায় এবং আরামদায়ক হয় পেটের জন্য । রাতে হালকা খাবার খাওয়া বুক জ্বালা-পোড়া, এসিডিটি, পেট ফোলা ভাবের, সমস্যা রোধে সাহায্য করে। রাতে হজমের সমস্যা হলে  পরবর্তী দিনের কার্যক্রমের ওপর বাজে প্রভাব ফেলে। তাই রাতে তাড়াতাড়ি খাবার খাওয়া এবং হালকা খাবার খাওয়া  পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।
ভালো ঘুমের জন্য
ভারী খাবার রাতে না খাওয়াই ভালো। ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় এটি । বিশেষজ্ঞরা বলেন, ভালো ঘুমের জন্য রাতে ভারী খাবার, ঝালযুক্ত খাবার এবং ক্যাফেইন (চা, কফি) জাতীয় খাবার এইসব এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। দেহের হরমোনকে শিথিল করতে সাহায্য করে হালকা খাবার ।
মেদ কম জমায়
আপনি যদি শরীরে চর্বি কম জমাতে চান তাহলে রাতে হালকা খাবার খাওয়া ভালো। আপনি যদি ভুল খাবার ভুল সময়ে খান, তবে এটি মেদ বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, যেহেতু রাতে আমরা কম কাজ করি, নড়াচড়া কম করি, তাই ভারী খাবার খেলে ক্যালরি কম পোড়ে।
শর্করার মাত্রা ঠিক রাখে
রক্তের শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে হালকা খাবার খাওয়া উচিত। এটি রাতের বেলার হাইপোগ্লাইসেমিয়া নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে।
শক্তি বাড়ায়
রাতে হালকা খাবার খাওয়া  রাখে মেজাজ ঠিক এবং  মস্তিষ্কের কার্যক্রমকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, রাতে তাড়াতাড়ি খাওয়া এবং হালকা খাবার খাওয়া পরবর্তী দিনের জন্য শরীরে শক্তি জোগাতেও সাহায্য করে।
আজ এই পর্যন্তই। আল্লাহ হাফেজ। 

পেঁয়াজ কি সত্যিই চুলপড়া বন্ধ করে?

আমদের মধ্যে অনেকেই চুলপড়ার সমস্যায় ভোগে থাকেন। তবে দিনে পঞ্চাশ থেকে একশ টি  চুল পড়াকে স্বাভাবিক হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। চুলপড়া কারো কারো ক্ষেত্রে মানসিক চাপের কারনেও হতে পারে। অনেকের আত্মবিশ্বাসও কমে যায় এর কারনে।  
চুলপড়া প্রতিরোধ করতে অনেকেই অনেক ধরনের ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। এর মধ্যে পেঁয়াজের রসের ব্যবহার অন্যতম একটি বিশেষ  পদ্ধতি। তবে পেঁয়াজের রস কি আসলেই চুলপড়া রোধ করে, চুল গজাতে সাহায্য করে? বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডাইজেস্ট জানিয়েছে এর উত্তর। আসুন জানি আসলে কী হয় পেঁয়াজের রস চুলে ব্যবহার করলে।
বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন, চুলে পেঁয়াজের রস ব্যবহার করা অনেক ভালো প্রাকৃতিক পদ্ধতি। কোনো ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া পেঁয়াজ চুলপড়া প্রতিরোধ করে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বলা হয়, পেয়াঁজ চুলপড়া নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি চুলের বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। যেমন : খুশকি, ছত্রাক,  সংক্রমণ ইত্যাদি। চুলে পেঁয়াজের রসের ব্যবহার অকালে চুল পাকা রোধেও সাহায্য করে থাকে।
পেঁয়াজের রসের গুণ
অনেকের মনেই প্রশ্ন আসে, আসলেই পেঁয়াজ কীভাবে এই বিষয়গুলোতে সাহায্য করে? 
বিশেষজ্ঞরা বলেন, পেঁয়াজে ভালো মাত্রায় সালফার উপাদান রয়েছে। যখন পেঁয়াজের রস লাগানো হয় তখন মাথায় রক্তসঞ্চালন বাড়ে। সালফার কোলাজেন টিস্যুর উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। এই টিস্যু চুল গজানোর জন্য প্রয়োজন। এ ছাড়া রক্ত সঞ্চালন বাড়লে স্ক্যাল্পের ফলিকল পুষ্টি পায়। এটি নতুন  চুল গজাতে সাহায্য করে।
সালফারের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। এটি ফাঙ্গাস, ব্যাকটেরিয়া- এগুলোকে প্রতিরোধ করে। ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ অনেক সময় চুলপড়ার জন্য দায়ী হয়। পেঁয়াজের রস চুল মজবুত করতে সাহায্য করে; চুল ভাঙ্গা ও চুল পাতালা হওয়া প্রতিরোধ করে। তাই পেঁয়াজের রস নিয়মিত ব্যবহার করলে চুলপড়া প্রতিরোধ হয়।
তবে চুল পড়ারও বিভিন্ন কারণ রয়েছে। এর মধ্যে খাবারদাবার, জীবনযাপনের ধরন বা জিনগত কারণ  ইত্যাদি রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, চুলপড়া রোধে অনেক সময় ওষুধও দরকার হয়। তবে বেশির ভাগ চুলপড়া প্রতিরোধে পেঁয়াজের রস মাখার এই ঘরোয়া পদ্ধতিটি বেশ কার্যকরী।
Collect: Internet

কালি জিরার উপকার




 সব রোগের মোহা ঔষুধ হচ্ছে  কালি জিরা। আজকে কালো জিরার  কিছু উপকার সম্পর্কে আপনাদের জানাব। আসুন জেনে নেই কালি জিরার উপকার ও স্বাস্থ্যগুনঃ

  • খাবারে অরুচি, শরীর ব্যথা, গলা ব্যথা, চুলপড়া, সর্দি, দাঁতের ব্যথা, মাইগ্রেন, কাশি,উদরাময়,  হাঁপানি নিরাময়ে কালিজিরা সাহায্য করে। ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসাবে কালিজিরা সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।
  •  মাথাব্যথা,  চুলপড়া, অনিদ্রা,  মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, মাথা ঝিমঝিম করা,অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্কিয়তা ও অলসতা,  মস্তিষ্কশক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়াতেও কালোজিরা উপযোগী।
  •  মাথা ব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তি স্থানে দৈনিক তিন চার বার কালোজিরা তেল মালিশ করলে উপকার পাওয়া যায়।
  • প্রতি দিন চায়ের সাথে নিয়মিত কালোজিরা মিশিয়ে অথবা এর তেল বা আরক মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার হয়, তেমনি মেদ ও বিগলিত হয়।
  •  মধুসহ প্রতিদিন সকালে কালোজিরা সেবনে স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও সকল রোগ মহামারী হতে রক্ষা পাওয়া যায়।
  •  জ্বর,গায়ের ব্যথা, কফ  দূর করার জন্য কালিজিরা যথেষ্ট উপকারী বন্ধু। এতে রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান। পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু ও গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায় কালো জিরা ।
  • সন্তান প্রসবের পর কাঁচা কালিজিরা পিষে খেলে শিশু দুধ খেতে পাবে বেশি পরিমাণে।
  • কালিজিরায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোরিয়াল­ এজেন্ট, অর্থাৎ শরীরের রোগ-জীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান। এই উপাদানের জন্য শরীরে সহজে ঘা, ফোড়া, সংক্রামক রোগ (ছোঁয়াচে রোগ) হয় না।
  •  কালিজিরা মেধার বিকাশের জন্য কাজ করে দ্বিগুণ হারে। কালিজিরা নিজেই একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক।
  • দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালিজিরা দিয়ে কুলি করলে ব্যথা কমে; জিহ্বা, তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু মরে।
  •  মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্মরণ শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।

  •  কালিজিরা কৃমি দূর করার জন্য কাজ করে।
  •  দেহের কাটা-ছেঁড়া শুকানোর জন্য কাজ করে।
  •  কালোজিরার যথাযথ ব্যবহারে দৈনন্দিন জীবনে বাড়তি শক্তি অজির্ত হয়। এর তেল ব্যবহারে রাতভর প্রশান্তিপর্ন নিদ্রা হয়।
  •  প্রস্রাব বৃদ্ধির জন্য কালিজিরা খাওয়া হয়।
  •  বহুমুত্র রোগীদের রক্তের শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং নিম্ন রক্তচাপকে বৃদ্ধি করে ও উচ্চ রক্তচাপকে হ্রাস করে।
helthbarta.com

SEO Tutorial Bangla. পর্ব ১

seo tutorial bangla


আসসালামুয়ালাইকুম। আপনাদের সবাইকে  প্রথম ধারাবাহিক এসইও  সম্পর্কিত লেখায় স্বাগতম। শিরোনাম দেখে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে, এসইও আবার কি?  আসলে ইন্টারনেট জগতে  seo এর অবদান এত বিশাল যা একটা web site এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।  চলুন আমরা প্রথমেই জেনে নেইঃ

এসইও কি?

SEO যার পূর্ণ রুপ  ‍Search Engine Optimization।বাংলাতে সংজ্ঞা দিলে বলা যায়, seo হল কিছু নিয়মনীতি/টেকনিক যার মাধ্যমে কোন একটা ওয়েবসাইট বিভিন্ন ধরনের সার্চ ইঞ্জিন (google, msn, yahoo etc) থেকে বেশি পরিমাণে ভিজিটর/ট্র্যাফিক পেতে পারে।  বর্তমান সারা বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষের প্রয়োজনীয় তথ্য খুজে পেতে গুগলে সার্চ করে। গুগল তখন তার সামনে অনেকগুলো  ফলাফল প্রদর্শন করে। কোনটি প্রথমে, কোনটি দ্বিতীয় ...... এই ভাবেই ক্রমানুসারে আস্তে থাকে।আবার সবার নিচে লেখা থাকে Next page>> এইভাবেই আস্তে থাকে। যেটি প্রথমে দেখা যাচ্ছে এটার  কারন সেটিকে এসইও করা হয়েছে। কোন ওয়েবসাইটকে সার্চের প্রথমে প্রদর্শন করার জন্য যে প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়, সেটিকে এসইও বলে।  যখন আপনার ওয়েবসাইট সার্চের প্রথমে থাকবে তখন ওয়েবসাইটের ভিজিটর বেরে যাবে। আর ভিজিটর বেরে গেলে আয় তাও বেশি হবে। ধরুন, আপনি এসইও কোর্স করবেন, সেজন্য ট্রেনিং সেন্টার  খুজছেন। তাহলে হয়ত আপনি গুগলে লিখবেন SEO training in Bangladesh। তখন সার্চের প্রথমে অনেক লিঙ্ক চলে আসবে। আর এটি দেখে  এরপর এখান থেকে তথ্য পেয়ে পছন্দ হলে এখানে এসে কোর্সে ভর্তি হয়। আর একটু সহজ করে দেইঃ  আমরা একটি গান ডাউনলোড করতে চাই, তাহলে আমরা সাধারণত যে কাজটি করি তা হল google এ আমরা ঐ গানের লাইনটি লিখে search করি। এখন লক্ষ্য করুন আমরা search button press করার পর google কিছু website এর নাম দেখায় যেখানে আমরা ঐ গানটি পেতে পারি। এভাবে google প্রতি page এ ১০টি ওয়েরসাইটএর নাম দেখায়।  এটি হল এসইওর কাজ। আতক্ষন তো এসইও কি জানলাম এবার মূল   প্রসঙ্গে যাই।

এসইও ২ ধরনের তা হল 
  1.  Oraganic ও
  2. Paid.

আমরা এখানে organic search result নিয়ে কথা বলব। কারন এটা ফ্রী আর paid search result বুজেছেন ই  এ তো টাকা খরচ করলেই Ad দেওয়া যায়।

seo কে সাধারণত ২ভাগে ভাগ করা হয়:
  •  On Page Seo এবং
  • Off page seo.

On page seo: সহজভাবে বলা যায়, আপনি আপনার ওয়েবসাইট সর্ম্পকে যা বলছেন আর Off page seo হল অন্যরা আপনার সর্ম্পকে যা বলছে।

seo এর ব্যবহার:

ধরুন আপনার একটি Baseball বিষয়ক সাইট আছে যা বর্তমানে #১০ এ অবস্থান করছে। আপনি চাচ্ছেন কেউ যদি search engine এ "Baseball Cards" লিখে search করে তাহলে এটি #১ অবস্থানে দেখাবে - এটা করতে হলে আপনাকে ঐ সাইট এর seo করতে হবে। seo সাধারণত কোন popular search term বা keyword ব্যবহার করে করা হয়। এখন আপনি যদি seo করে আপনার Brand name কে উপরের দিকে নিতে চান এবং সফলও হন, তাহলেও এটিকে ঠিক seo বলা যায় না। কারণ search engine যথেষ্ট smart এবং se আপনার company name ও keyword কে খুব সহজেই আলাদা করতে পারে। আর প্রধান ব্যাপার হল, যে keyword এর জন্য যত প্রতিযোগীতা, সেই keywordএ rank করা তত কঠিন।
এই জন্য seo শুরু করার আগে কিছু planning করে নেয়া ভাল। ধরুন, আপনি একটি নতুন সাইট খুললেন, যে বিষয়ে আগে থেকেই লাখ লাখ প্রতিযোগী আছে, আর অন্য একজন একটা সাইট বানাল যে বিষয়ে হয়ত ১০০০টা সাইট আছে, এখন আপনিই বলুন কোথায় প্রতিযোগীতা করা সহজ হবে লাখের ভেতরে না হাজার এর ভিতরে?
এই কারণে সাইট এর সঠিক seo planning এর জন্য সঠিক keyword নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। keyword selection ঠিক না হলে আপনি আপনার কাঙ্খিত ফলাফল পাবেন না। কারণ কোন মানুষ যখন Search engine কোন কিছু খোজে তখন এই search term গুলো ব্যবহার করে। কাজেই আপনি যদি না জানেন যে মানুষ কি খুজছে, তাহলে আপনি কিভাবে তাদের প্রয়োজন পূরণ করবেন।
আগামী পর্ব পড়ার আমন্ত্রণ রইলো।

কাচা মরিচের উপকার

কাচা মরিচের উপকার



যাদের  প্রতি দিন  ভাতের সাথে  কাঁচা মরিচ না খেলে চলে  না তাদের জন্য সুখবর হচ্ছে কাঁচা মরিচ স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। মরিচকে ঝাল বানায় এর বিশেষ উপাদান ক্যাপসাইকিন। আমরা কাঁচা মরিচ সাধারণত কাঁচা, রান্না কিংবা বিভিন্ন ভাজিতে দিয়ে খেয়ে থাকি। এতে আছে ভিটামিন এ, সি, বি-৬, আয়রন, পটাশিয়াম এবং অল্প  পরিমাণে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট। 

ঝাল স্বাদের সব্জিগুলোতে থাকে বিটা ক্যারোটিন ও আলফা ক্যারোটিন, বিটা ক্রিপ্টোক্সানথিন ও লুটেইন জিয়াক্সানথিন ইত্যাদি উপাদান। এই উপাদান গুলো মুখে লালা আনে ফলে আমরা  খেতে মজা লাগে। এছাড়াও এগুলো ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। আসুন দেখে নেই কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো।
কাঁচা মরিচের স্বাস্থ্য উপকারিতাঃ 

  • গরম কালে কাঁচা মরিচ খেলে ঘামের মাধ্যমে শরীর ঠান্ডা থাকে।
  • প্রতি দিন অন্তত একটি করে কাঁচা মরিচ খেলে রক্ত জমাট বাধার ঝুঁকি কমে যায়।
  • নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে হৃদপিণ্ডের অনেক সমস্যা কমে যায়।
  • কাঁচা মরিচ মেটাবলিসম বাড়িয়ে ক্যালোরি পোড়াতে সাহায্য করে।
  • কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিটা ক্যারোটিন আছে যা কার্ডোভাস্ক্যুলার সিস্টেম কে কর্মক্ষম রাখে।
  • প্রতিদিন কাঁচা মরিচ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
  • কাঁচা মরিচ রক্তের কোলেস্টেরল কমায়।
  • কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন এ যা হাড়, দাঁত ও মিউকাস মেমব্রেনকে ভালো রাখতে অনেক সহায়তা করে।
  • কাঁচা মরিচে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন C আছে যা মাড়ি ও চুলের সুরক্ষা করে।
  • প্রতিদিন কাঁচা মরিচ খেলে নার্ভের বিভিন্ন সমস্যা কমে।
  • প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত একটি করে কাঁচা মরিচ রাখলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না।
  • কাঁচা মরিচে আছে ভিটামিন সি। তাই যে কোনো ধরণের কাটা-ছেড়া কিংবা ঘা শুকানোর জন্য কাঁচা মরিচ খুবই উপকারী।
  • কাঁচা মরিচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি শরীরকে জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে। 

এছাড়াও কাচা মরিচের অনেক গুন রয়েছে। তাই আসুন আমরা নিয়মিত কাচা মরিচ খাবার অভ্যাস গরে তুলি।

আজ এই পর্যন্তই। 

ফেসবুকের নতুন ১০ টি ফিচার

ফেসবুকের নতুন ১০ টি  ফিচার
পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী একশ পঞ্চাশ কোটি ব্যবহারকারীর সামাজিক যোগাযোগএর মাধ্যম ফেসবুক।  সবার চেয়ে নিজেদের এগিয়ে সামনে রাখতে প্রায়ই বিশেষ ফিচার ছাড়ে ফেসবুকে । ‘৩৬০ ডিগ্রি ভিউ’ থেকে ‘Video প্রোফাইল পিকচার’ কত কিছুই না এনেছে ফেসবুক। এসব ফিচার ফেসবুক কে আরোও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। আর এর ব্যবহারও হয়েছে অনেক সহজ।Times of India প্রতিবেদন অনুযায়ী ফেসবুকের সম্প্রতি আনা কয়েকটি শীর্ষ ফিচার দেওয়া হলো। আশা করি আপনাদের ভাল লগবেঃ 
Live ভিডিও স্ট্রিমিং
Live নামে নতুন একটি ফিচার চালু করেছে ফেসবুক। এর মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য user তাদের লাইভ ভিডিও প্রচার করতে পারবে। অবশ্য গত বছর থেকেই ফেসবুকের নির্দিষ্ট অ্যাপে এই ফিচার চালু আছে। 
Verified ব্যবহারকারীদের বিশেষ অ্যাপ
সাংবাদিকসহ Verified ব্যবহারকারীরা বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে ফলোয়াদের সঙ্গে বিশেষভাবে যুক্ত হতে পারবেন। এ ছাড়া বিশেষ পোস্টও শেয়ার করতে পারবেন। তবে এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে।
নতুন রূপে নোটস
ফেসবুকের নোটস ফিচারটি এসেছে নতুন রূপে। এটি এখন দেখতে অনেকটা Blog এর মতো। নোটের ফন্ট পরিবর্তনের যথেষ্ট সুযোগ আছে। এ ছাড়া Post এর ওপর বড় করে ছবি দেওয়ারও সুযোগ রাখা হয়েছে।
৩৬০ ডিগ্রির সহযোগী অ্যাপ
৩৬০ ডিগ্রি ভিডিওর জন্য সহযোগী অ্যাপ এনেছে ফেসবুক। ব্যবহারকারীকে ভার্চুয়াল রিয়ালিটির অভিজ্ঞতা দেবে এই অ্যাপ। এটি তৈরি করতে বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান অকুলাসের সঙ্গে কাজ করেছে ফেসবুক।
ভিডিও হবে প্রোফাইল পিকচার
ফেসবুকের একজনের প্রথম পরিচয় হলো তার প্রোফাইল পিকচার। আর একে আরো সুন্দর করে উপস্থাপন করতে নতুন ফিচারে কোনো ভিডিওকেই প্রোফাইল পিকচার করার সুযোগ করে দিয়েছে ফেসবুক।

Dislike Button
কোনো কিছু ভালো লাগলে লাইক দেই আমরা। তবে আমাদেরত  ফেসবুকের সব পোস্টই তো আর ভালো লাগে না। কিছু কিছু পোস্ট ফেসবুকের নিয়মের মধ্যে থাকলেও অনেকের কাছে তা ভালো না-ও লাগতে পারে। তবে দীর্ঘদিন ফেসবুকে লাইক বাটন থাকলেও কোনো Dislike Button ছিল না। সম্প্রতি এই ফিচার চালু হয়েছে।
আরো Video
ফেসবুকের এখন প্রায়ই অনেক Video দেখা যায়। আর এসব Video দেখলে নিচে দেখা যায় এমনই আরো কয়েকটি Video এসে উপস্থিত। একে সম্ভব করেছে ফেসবুকের ‘সাজেস্টেড আট ভিডিও’ ফিচার।
ইন্সট্যান্ট আর্টিস্ট
মোবাইল ফোনে পড়াকে আরো দ্রুত করতে চাইছে ফেসবুক। এরই প্রাতিষ্ঠানিক নাম দিয়েছে instant। এই ফিচার মোবাইল ফোনে ফেসবুক ব্যবহার আরো দ্রুত করবে বলে জানিয়েছে ফেসবুক।
রিয়াল টাইম সার্চ
কোনো বিষয়ে সার্চ করে সেই সম্পর্কে নতুন সব তথ্য ও মন্তব্য দ্রুত পাওয়ার ব্যবস্থা ‘Real Time Search’। সম্প্রতি এই ফিচার এনেছে ফেসবুক।
notificationব্যবহারকারীর হাতে
Notification  ব্যবস্থা আরো user দের হাতে তুলে দিয়েছে ফেসবুক। এখন কোনো ব্যবহারকারী নিজেই ঠিক করে নিতে পারবেন  সে কোন বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে চাচ্ছে।