Showing posts with label Helth. Show all posts
Showing posts with label Helth. Show all posts

চুলে শ্যাম্পু করার লাভ এবং ক্ষতি


চুলে শ্যাম্পু করার লাভ এবং ক্ষতি
 চুল ঝরঝরে ও স্বাস্থ্যকর রাখতে আমদের মধ্যে অনেকেই আচেন যারা  প্রতি দিন চুলে শ্যাম্পু মাখেন। আবার অনেক আছেন সাপ্তায় দু’তিন দিন শ্যাম্পু করেন, অনেকে আছেন,  আবার সপ্তাহে মাত্র একবারই শেম্পু ব্যাবহার করেন। ঘনঘন কিংবা অনেক বিরতি দিয়ে শ্যাম্পু ব্যাবহার করার লাভ এবং ক্ষতি কী? যারা শ্যাম্পু ব্যাবহার  করছেন-তারাও কি এই ব্যাপারে পুরোপুরি জানেন?

যুক্ত রাষ্ট্র ভিত্তিক Online সংবাদ মাধ্যম about.com এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে চুলে শ্যাম্পু করার লাভ এবং ক্ষতির হিসাব তুলে ধরছি।

প্রথমেই দেখে আসা  যাক লাভের খাতা...

চুল হয় স্বাস্থ্যকর, আকর্ষণীয়,এবং আবেদনময়ী রাখতে নিঃসন্দেহে শ্যাম্পুর চেয়ে আর কিছু ভালো নাই। এ কারণে অনেকেই আছেন যারা দিনের বেশিরভাগ সময় স্যালুন বা পার্লারে বসে কাটান। কেউ আবার আছেন বাসাকেও পার্লার বানিয়ে ফেলেন-শ্যাম্পু ব্যবহার করে।

নিয়মিত শ্যাম্পু করলে কেবল চুলই  পরিষ্কার হবে না, মাথার খুলিকেও স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্ন রাখ।

 শ্যাম্পু কীভাবে চুল ও মাথার খুলি পরিষ্কার রাখে?

কেউ যখন চুলে শ্যাম্পু করে তখন তার মাথার খুলি থেকে তেল নিগ্রিত হয়ে যায়, যার ফলে চুল ও খুলি স্বাস্থ্যকর এবং খুশকি মুক্ত হয়। আবার যখন মাথার চুল থেকে তেল শোধিত হয়ে যায় তখন শ্যাম্পুকারীর মাথার খুলি খসখসে হয়ে তেল আরও বাড়াতে থাকে। তখন ব্যবহারকারীর মনে হতে পারে মাথার খুলিতে চর্বি হয়ে গেছে, যে কারণে বারবার এবং প্রতিদিন একাধিকবার শ্যাম্পু করেন তিনি, অর্থাৎ শ্যাম্পু ব্যাবহার করার কারণেই আবার শ্যাম্পু ব্যাবহার করতে বাধ্য হন।

মাথা তৈলাক্ত হয়ে থাকে বলে এ ব্যাপারে আকাট ব্যক্তিরা অস্থির ও বিরক্ত থাকেন।

চুল স্বাস্থ্যকর রাখার জন্য বারবার শ্যাম্পু ব্যাবহার করলেও তাতে বিপরীত দেখা যায় প্রায়  সময়ই,  

অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করলে কী ক্ষতি হতে পারে, এবার সে খাতায় চোখ বুলানো যাক!
  •  নিয়মিত শ্যাম্প‍ু ব্যাবহার করার কারণে মাথা শুষ্ক হয়ে চুলকানি এমনকি চামড়া ফাটার উপক্রমের শিকার হতে পারেন। 
  • চুলের রং বিবর্ণ হয়ে যেতে পারে, যে কারণে শ্যাম্পু ব্যাবহার কারীকে নিজের চুলে কৃত্রিম রং ব্যবহার করতে হতে পারে।
  •  শ্যাম্পু ও মাথার চুল নিয়ে অনেক বেশি দুঃশ্চিন্তার সময় কাটাতে হবে কেবল ওয়াশরুমেই, বাকি সময় সময়ত আছেই।
  • অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহারের কারণে খরচ করতে হবে বাড়তি অর্থ।
  • শ্যাম্পুর বেবহারের কারণে পানি অতিরিক্ত খরচ করতে হবে।
  •  অস্বাস্থ্যকর মাথার খুলি আপনার চুলকে বর হতে দেবে না
  • এবং  স্বাস্থ্যের ওপরই প্রভাব ফেলতে পারে অতিরিক্ত শ্যাম্পুর ব্যবহার।


তাহলে উপায় কি ?


প্রাথমিক পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে যে, প্রথমত একদিন পর পর শ্যাম্পু ব্যবহার করা যেতে পারে এবং শ্যাম্পু ব্যবহারের বিরতির সময়টা বাড়াতে থাকুন, এভাবে বাড়াতে বাড়াতে একসময় চার-ছয় দিন বিরতি দিয়ে শ্যাম্পু ব্যাবহার করুন। এছাড়া, শ্যাম্পু ব্যাবহার করার ক্ষেত্রে যেদিন বাইরে বের হওয়া লাগবে না এমন একটি দিন বাছাই করুন।


কিডনিতে পাথর হওয়ার ১০ কারণ

Kidney Stones
যাঁরা জীবনে কিডনিতে পাথরের সমস্যায় ভুগেছেন, তাঁরাই জানেন এই ছোট জিনিসটি কতটা ব্যথা দিতে পারে। গবেষণায় বলা হয়, অন্তত ১১ জনের মধ্যে একজন জীবনের কখনো না কখনো এই সমস্যায় ভুগে থাকেন। আগে বলা হতো, পুরুষদের এই সমস্যা বেশি হয়। তবে নতুন কিছু গবেষণায় বলা হচ্ছে এর অন্যতম কারণ হতে পারে ওজনাধিক্য।
মূলত কিডনির ভেতরে কঠিন পদার্থ জমা হয়ে কিডনিতে পাথর তৈরি হয়। প্রস্রাবে বিভিন্ন উপাদান তরল, খনিজ এবং অম্লের ভারসাম্যহীনতার কারণে কিডনিতে পাথর হয়। কিডনিতে পাথর হওয়ার কিছু কারণের কথা জানিয়েছে হেলথ ডট কম।
১. ক্যালসিয়ামের অভাব
কিডনির পাথরে মধ্যে ক্যালসিয়াম থাকে। তাই একসময় খাদ্যে ক্যালসিয়াম কমানোর পরামর্শ দিতেন গবেষকরা। তবে এটা ছিল পুরোনো ধারণা। এখন বিশেষজ্ঞরা বলেন, যারা কম ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খায়, তাদেরও এই সমস্যা হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, আসলে পুরো বিষয়টিই হলো ভারসাম্যের। বেশিও নয়, কমও নয়, পরিমাণ মতো খেতে হবে।  
২. সবজি
অক্সালেট পাওয়া যায় পাতাযুক্ত শাকসবজিতে। যেমন : পুঁইশাক, বিট পালং ইত্যাদি। এই অক্সালেট ক্যালসিয়ামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অন্ত্রে ইউরিনারি ট্যাক্ট দিয়ে বের হয়ে যায়। তবে এই অক্সালেট যদি বেশি পরিমাণে হয়, এটি পাথর গঠন করতে পারে। এর মানে এই নয় যে আপনি সবজি খাবেন না। তবে আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ নিয়ে কম অক্সালেট-সমৃদ্ধ সবজি খান।
৩. লবণ
বেশি লবণ খাওয়া কিডনির জন্য ক্ষতিকর। যদি আপনার সোডিয়াম গ্রহণ বেড়ে যায়, তবে কিডনি থেকে ক্যালসিয়াম নিঃসৃত হয়। প্রস্রাবে ক্যালসিয়াম বেড়ে গেলে কিডনিতে পাথর হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, একজন সুস্থ মানুষ প্রতিদিন দুই হাজার ৩০০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম গ্রহণ করতে পারবেন। তবে যাঁরা উচ্চ রক্তচাপের রোগী, তাঁরা এক হাজার ৫০০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম প্রতিদিন গ্রহণ করতে পারবেন। 
৪. বেশি মাংস খাওয়া
অন্যদিকে বেশি লাল মাংস (গরু খাসি) এবং পোলট্রির মাংস খাওয়া কিডনির পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সবজি এবং মাছ বেশি খায় তাদের ৩০ থেকে ৫০ ভাগ কিডনির পাথর হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।
৫. ভৌগোলিক কারণে
দক্ষিণ-পূর্ব ইউনাইটেড স্টেটকে সাধারণত বাইবেল বেল্ট বলা হয়। তবে ইউরোলজিস্টরা একে কিডনি স্টোন বেল্ট হিসেবে বলে থাকেন। আমেরিকান জার্নাল অব এপিডেমোলজি ১৯৯৬ সালে জানিয়েছে, যাঁরা এই এলাকায় থাকেন, তাঁরা কিডনিতে পাথর হওয়ার দ্বিগুণ ঝুঁকিতে থাকেন। কারণ এসব অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি থাকে। এর ফলে এরা প্রচুর ঘামে এবং পানিশূন্যতায় ভোগেন। যদি পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি না পান করেন, তবে কিডনিতে পাথর হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
৬. বংশগত কারণে
যদি আপনার বাবা-মা কারো এই সমস্যা হওয়ার ঘটনা থাকে, তবে আপনারও কিডনিতে পাথর হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। জিনগত কারণ এখানে কাজ করে। ওজনাধিক্য এবং ডায়াবেটিস হওয়ার ক্ষেত্রেও জিনগত কিছু কারণ কাজ করে
৭. আইবিডি
যেসব লোকের ইনফ্লামেটরি বাউয়েল রোগ থাকে, তারা কিডনির রোগ হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন। ২০১৩ সালের ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব নিউরোপ্যাথির একটি গবেষণায় এই তথ্য পাওয়া যায়।
৮. ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশন
ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশন আরেকটি কারণ কিডনিতে পাথর হওয়ার। কেবল কিডনিতেই পাথর হয় না, ইউরিনারি ট্রাক্টেও পাথর তৈরি হতে পারে। 
৯. মাইগ্রেনের ওষুধ
টপিরামেট জাতীয় (এটা টোপাম্যাক্স হিসেবে পাওয়া যায়) ওষুধ কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। এগুলো সাধারণত মাইগ্রেনের রোগে ব্যবহার করা হয়। ২০০৬ সালের আমেরিকান জার্নাল অব কিডনি ডিজিজের প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, টপিরামেট ইউরিনারি ট্র্যাক্টে পিএইচের পরিমাণ বাড়ায় যেটা কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়ার জন্য দায়ী। তাই এ ধরনের ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 
১০. ওজন
২০১১ সালের জার্নাল অব ইউরোলজিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় বলা হয়, পাতলা লোকদের থেকে ওজনাধিক্য নারীরা ৩৫ শতাংশ বেশি কিডনির পাথর হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন। বেশি ওজন ইউরিনারি ট্র্যাক্ট পরিবেশকে পরিবর্তন করে, যা কিডনির পাথর হওয়ার প্রক্রিয়া বাড়ায়। প্রস্রাবের পিএইচের মাত্রাকে পরিবর্তন করে; যা ইউরিক এসিড তৈরি করে এবং কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি বাড়ায়।